KAMAL ACADEMY

16/C AMIN COMPLEX, TONGI, GAZIPUR.

বাণী চিরন্তনী, পরামর্শ, মুক্তচিন্তা, বেকারদের কথা ইত্যাদি বিষয় নিয়ে আমাদের প্রিয় সাইট " কামাল একাডেমী"

Sentence

Definition:
A sentence is a word or group of words that must expresses a complete idea or sense or meaning and that may consists of a subject and a verb.
Also it may have an object or a complement and the words must be order properly.
যে শব্দ বা শব্দ সমষ্টি দ্বারা সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ পায় এবং যা সাধারণত কর্তা এবং ক্রিয়া দ্বারা গঠিত তাকে sentence বা বাক্য বলা হয় ।
Example:- We practice English everyday. (Here we is subject, practice is verb, English is object and everyday is adverb)
Basically there are two parts of a sentence: (একটি Sentence এ মূলত দুটি অংশ থাকে)
  • Subject and
  • Predicate
Subject: A subject of a sentence is a person or thing about which something is said or written.
Predicate: And the Predicate that says what the Subject does.
যে ব্যক্তি বা বস্তু সম্পর্কে কোনকিছু বলা বা লিখা হয় তাকে Subject বা কর্তা বলে ।
যা subject বা কর্তা সম্পর্কে বলে বা করে বা লিখে তাকে Predicate বলা হয় ।
In the above example ‘We’ is subject and ‘practice English everyday’ is Predicate. A sentence usually starts with a subject and then predicate comes.
N. B.: In some case like order, advice or request subject is not mentioned. It is userstood.
Example: 
- (You) Keep quite. 
- (You) Take care of your health.
- (I) Thank you.
And sometimes sentence starts with the predicate and then subject comes.
Example: 
- Long live Bangladesh 
- Down went the Titanic.

শুরু হল Biddakosh.com এর উদ্যোগে ফেইসবুক মেসেঞ্জারের মাধ্যমে Spoken English শেখার সহজ প্রক্রিয়া।

মনের ভাব প্রকাশ করার একমাত্র উপায় ভাষা। আর পরিপূর্ণভাবে প্রকাশ করার একমাত্র উপায় মাতৃভাষা ...। মানুষ নিজেদের মধ্যে ভাব আদান প্রদানের জন্য তাদের মাতৃভাষা ব্যবহার করে থাকে। কিন্তু বিপত্তি বাধে তখনই যখন ভিন্ন জাতি গোষ্ঠির মধ্যে ভাব আদান প্রদান করতে হয়। এই সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যেই ইংরেজিকে গ্লোবাল ল্যাংগুয়েজ করা হয়। তাই সভ্য জাতি হিসেবে ইংরেজি শেখাটা বাঞ্ছনীয়।
মাতৃভাষা ব্যতিত অন্য ভাষা আয়ত্তে আনা চারটি খানি কথা নয়। প্রয়োজন সেই ভাষা শেখার ধৈর্য্য, সেই ভাষার প্রতি শ্রদ্ধা আর সাধনা। ইচ্ছা থাকলে তা কখনই অসম্ভব নয়।
ইংরেজি ভাষা শেখানো আমাদের জাতীয় পাঠ্যনীতির অন্তর্ভূক্ত। ইংরেজি ভাষা শেখার আদর্শ সময় হচ্ছে মাধ্যমিক পর্যায় পর্যন্ত। কিন্তু যারা আমার মতো মফস্বল শহর থেকে লেখাপড়া করেছেন, স্কুল ফাঁকি আর দুরন্তপানার যাঁতাকলে সেই সময়টাকে মধুর জলাঞ্জলী দিয়েছেন তারা ভালো করেই জানেন ইংরেজি ভীতি কি? তাদের অধিকাংশেরই শেষ পরিণতি হয় সময়ের অভাবে ভালো কোন প্রতিষ্ঠানে গিয়ে ইংরেজি শিখতে না পারাটা। যার ফলশ্রুতিতে মাশুল গুনতে হয় সারা জীবন। আর আফসোস করতে থাকেন জীবন থেকে হারিয়ে যাওয়া সময়গুলোর জন্য। কিন্তু তারাই হয়তো একটু দিক নির্দেশনা পেলে তাদের সেই ভুলগুলোকে শুধরাতে পারেন। আর পারেন মাথানত জীবনের অবসান ঘটাতে।
ইংরেজি ভাষা শেখার জন্য অসংখ্য বই বাজারে আছে । কিন্তু সর্ব স্তরের শিক্ষার্থীদের ইংরেজি ভাষা শিখার সব ধরনের প্রয়োজন মেটাতে পারে এমন বই নেই বললেও চলে । শুধু তাই নয় , বাংলা ভাষায় এমন কোন ইংলিশ স্পোকেন বই নেই যা পড়ে শিক্ষার্থীরা নিজেরাই ইংরেজিতে অনর্গল কথা বলতে পারে । ফলে শিক্ষার্থীদের প্রতিক্ষেত্রেই কোচিং এর সাহায্যের অপেক্ষায় বসে থাকতে হয় , নিজে নিজে ইংরেজি ভাষা শেখা তাঁদের পক্ষে সম্ভব হয়ে ওঠে না। আবার যারা ভালো শিক্ষক ও কোচিং এর সহায়তা পাওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হন তারা ইংরেজি ভাষাকে পরিহার করা শুরু করে , একসময় তাঁদের মধ্যে ইংলিশ ভীতি সৃষ্টি হয় যা তাঁদের চির জীবনের দুঃখে পরিণত হয় ।
  •  এসব দিক বিবেচনা করেই স্পোকেন ইংলিশ শেখার সহজ মাধ্যম হিসেবে ঘরে বসে যে  কেউ ফেইসবুক মেসেঞ্জারের মাধ্যমে ইংরেজিতে মাত্র ১৫ দিনে বা ১ মাসের কোর্স চালু  হয়েছে।  
  •  শিখতে হলে আপনাকে যা করতে হবে তা নিম্ন রুপঃ 
  • ১। প্রথমত আপনার একটা ফেইসবুক একাউন্ট থাকতে হবে। 
  • ২। https://www.facebook.com/kamalsirinfo  এই লিংক এ ক্লিক করে আপনার পরিচয় দিয়ে একটি মেসেজ সেন্ড করুন। 

  • নামঃ 
  • স্কুল/কলেজ/বিশ্ববিদ্যালয়/অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের নামঃ 
  • বাবার নামঃ
  • বাবার সাথে বা মায়ের সাথে কথা বলিয়ে নিজের নাম বিদ্যাকোস.কম এ রেজিস্ট্রেশন করে নিন।
  • ১৫ দিন নাকি ১ মাসের কোন কোর্স করতে চান উল্লেখ করুন। 

বিদ্যাকোষ হয়ে উঠুক বেকার ও ছাত্র-ছত্রীদের স্টাডি রুম

পৃথিবী জুড়ে ছড়িয়ে থাকা এই সময়ের ৮২ লক্ষাধিক বাংলাদেশী ফেসবুক বন্ধুর দৃপ্ত শ্লোগান হয়ে নিরন্তর পথ চলতে চায় ‘বিদ্যাকোষ’
সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা। আপনাদের ভালোবাসা আর গঠনমুলক সমালোচনাই আমাদের মুল প্রেরনা।
পথচলায় আমরা অপেক্ষাকৃত নতুন। অনেকের মত ঝুলিভরা অভিজ্ঞতা নেই হয়তো, তাই ভুল- ত্রুটির উর্ধে আমরা নই। পাঠকের সমালোচনা আমাদের সঠিক দিক নির্দেশনা দেখায় প্রতিনিয়ত ।
আমরা চাই, আমাদের ভুলগুলো আপনাদের বিচক্ষনতা আর যৌক্তিক সমালোচনায় শুধরে দিয়ে আমাদের কণ্ঠকে আরও শক্তিশালী করতে সহায়ক হবেন আপনিও।
কোন ব্যক্তি বিশেষ দল বা মতের পক্ষে নয়, বিদ্যাকোষ বরাবরের মতই কথা বলতে চায় ‘সময়ের নিপীড়িত কন্ঠের প্রতিবাদ হয়ে’ । আমরা বিশ্বাস করি সেই শক্তির যোগান দেবে সচেতন পাঠকেরাই।
বিদ্যাকোষ’ হয়ে উঠুক ‘বেকার ও ছাত্র-ছত্রীদের স্টাডি রুম’।
————-
প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান সম্পাদক
কামাল শাহরিয়ার 

Spoken English= Class 001

কর্তার নিজের কিছু আছে বুঝালে বাক্যটি Present Indefinite Tense হবে।

গঠনঃ Sub - Have/Has- যা আছে তা লিখতে হবে।

[বিঃ দ্রঃ I , We, They, You এদের পরে Have বসবে। এবং He, She,It, Rahim এদের পরে Has বসবে। ]

উদাহরণঃ

  1. আমার একটি বই আছে। - I have a book. [অন্য গুলো নিজে কমেন্ট বক্সে করেন]
  2. তোমার একটি ঘড়ি আছে। 
  3. তার একজন ভাই আছে। 
  4. আমার বড় কাকা আছে।
  5. তাদের অনেক সুনাম আছে। 

দেশে তথ্যপ্রযুক্তির আরো বিপ্লব প্রয়োজন



কানাডিয়ান যোগাযোগবিদ মার্শাল ম্যাকলুহান বহু আগে আমাদের ‘বৈশ্বিক গ্রাম’-এর স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন। তিনি আরো উল্লেখ করেছিলেন, আধুনিক প্রযুক্তিই হবে তার সেই স্বপ্ন পূরণের প্রধান নিয়ামক। ম্যাকলুহানের সেই ভবিষ্যদ্বাণী আজ বাস্তবায়িত হয়েছে। বিজ্ঞানের কল্যাণে অত্যাধুনিক সব বাহনের সুবাদে পুরো বিশ্ব এখন মানুষের হাতের মুঠোয়। পৃথিবীর এক প্রান্তের খবর মুহ‚র্তের মধ্যে পৌঁছে যাচ্ছে অপর প্রান্তে। তথ্যপ্রযুক্তিই বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের সম্পর্কের বন্ধনকে দৃঢ় করছে। বর্তমানে বাংলাদেশে তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে এক ধরনের বিপ্লব দেখা দিয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তির মহাসড়কে যুক্ত হয়েছে ১৬ কোটি মানুষ। এর মূলে রয়েছে বর্তমান সরকারের যুগোপযোগী পদক্ষেপ। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তথ্যপ্রযুক্তিতে অপার সম্ভাবনার দেশ বাংলাদেশ। এক সময় যে দেশকে তলাবিহীন ঝুড়ি অপবাদ শুনতে হয়েছে, এখন সে দেশই আন্তর্জাতিক মহলের প্রশংসা পাচ্ছে। বাংলাদেশে বর্তমানে ক্ষমতাসীন মহাজোট সরকারের প্রধান শরিক আওয়ামী লীগের নির্বাচনী অঙ্গীকার ছিল ২০২১ সালের মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তি সমৃদ্ধ এক ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০৮ সালের নির্বাচনের আগে তার দল আওয়ামী লীগের ইশতেহারে ঘোষণা করেছিলেন, তারা ক্ষমতায় এলে তথ্যপ্রযুক্তিভিত্তিক এক ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ে তোলবেন। সরকার এজন্য ‘ভিশন ২০২১’ নামে ডিজিটাল বাংলাদেশের এক রূপকল্পও ঘোষণা করেছে। ডিজিটাল বাংলাদেশ মানে হচ্ছে এমন এক ব্যবস্থা যেখানে সুশাসন থাকবে, সরকারের কার্যক্রমে দায়বদ্ধতা-স্বচ্ছতা থাকবে, দুর্নীতি কমে যাবে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য তারা তথ্যপ্রযুক্তির শক্তিকে ব্যবহার করতে চান।
আজ থেকে বিশ বছর আগে প্রয়োজনীয় তথ্য আহরণ ও স্থানান্তর প্রক্রিয়া যে দুরূহ ছিল, তা আজকের দিনে রূপকথায় পরিণত হয়েছে। দেরি হলেও বাংলাদেশ তার আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়নে তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্র প্রসারের উদ্যোগ নিয়েছে। তথ্যপ্রযুক্তি দেশের অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তথ্যপ্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার, ব্যবস্থাপনা ও কর্মদক্ষতা বাড়ানোর মাধ্যমে আমাদের দেশের জাতীয় জীবনে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। একজন ক্রেতা কোনো প্রতিষ্ঠানের তৈরি পণ্য এখন অনলাইনে বসেই কেনার অর্ডার দিতে পারছেন। এতে ক্রেতা ঘরে বসেই পেয়ে যাচ্ছেন তার প্রয়োজনীয় পণ্য। ঘরে বসেই ব্যবসায়ের লেনদেন, ব্যাংকিং ইত্যাদি করতে পারছেন। আর দিন দিন তাই তথ্যপ্রযুক্তি জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। ই-গভর্নেন্স অফিস-আদালতে গতানুগতিক কাগজনির্ভর নোটিস, জরিপ, বিল এবং কন্ট্রাক্ট বিষয়কে তথ্যপ্রযুক্তির বিভিন্ন উপাদান ব্যবহার করে ইলেকট্রনিক রূপদান করে অফিসকে কাগজবিহীন অফিসে রূপান্তর এবং এর উৎপাদনশীলতা বাড়াতে সহায়তা করছে। তথ্য প্রচার ও প্রসারে বিভিন্ন ক্ষেত্রগুলো মানব উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে। ডিজিটাল স্কুল হিসেবে যাত্রা শুরু করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান উদয়ন উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়। আইটিমস নামক একটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে উদয়নের শিক্ষা ও ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম ‘অটোমেটেড’ করেছে সফটওয়্যার প্রতিষ্ঠান ফোর ডি কমিউনিকেশনস। উদয়নের ক্লাস ম্যানেজমেন্ট, রুটিন তৈরি, ফল তৈরি ও প্রকাশ, উপস্থিতি, পরীক্ষা, বেতন প্রদানসহ আনুষঙ্গিক কার্যক্রম এই সফটওয়্যারের মাধ্যমেই সম্পন্ন করা হয়েছে। এটি ডিজিটাল বাংলাদেশকে এগিয়ে নেয়ার গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। দেশে তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়নের মাধ্যমে আমাদের দেশের আর্থ-সামাজিক দুরবস্থা থেকে প্রযুক্তিভিত্তিক ও স্বয়ংসম্পূর্ণ দেশে পরিণত হয়েছে। বাংলাদেশের গ্রামগুলো এখন দেখা যায় অন্যরকম এক দৃশ্য। সাইকেল চালিয়ে তরুণীরা যাচ্ছেন মানুষের বাড়ি বাড়ি, তার সঙ্গে ল্যাপটপ কম্পিউটার বা নোটবুক। ইন্টারনেট ব্যবহার করে স্বাস্থ্যসেবা দেয়া হচ্ছে, কখনো গ্রামের মেয়েদের বা ছোট ছোট স্কুলের ছেলেমেয়েদের শেখাচ্ছেন কীভাবে ব্যবহার করতে হয় কম্পিউটার। এদের নাম দেয়া হয়েছে ‘ইনফো-লেডি’ বা ‘তথ্য-কল্যাণী’ তথ্যপ্রযুক্তি-ভিত্তিক সেবাকে তারা নিয়ে যাচ্ছেন সরাসরি গ্রামীণ জনগণের দোরগোড়ায়। সাইকেল, ল্যাপটপ আর চিকিৎসা যন্ত্রপাতি নিয়ে তথ্য-কল্যাণীরা গ্রামে ঘুরে ঘুরে লোকজনকে দিচ্ছেন ইন্টারনেট-ভিত্তিক নানা রকম সেবা। তথ্যপ্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার করে কৃষিতে আমাদের অবস্থান সুদৃঢ় হচ্ছে। কৃষিকে আধুনিকায়ন করে আমরা অগ্রসর হচ্ছি। দেশের শিক্ষিত বেকার যুবকদের স্বল্প সুদে ঋণের ব্যবস্থা করে সফটওয়্যার আউটসোর্সিংয়ের মতো কাজে নিয়োজিত করে বেকারত্ব দূরসহ দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে এগিয়ে যাচ্ছে। আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে তাল মিলিয়ে দেশীয় ব্যাংকিং শিল্পের অগ্রগতির জন্য প্রয়োজন ব্যাংকিং ব্যবস্থাপনার সর্বক্ষেত্রে তথ্যপ্রযুক্তির সফল ব্যবহার। প্রায় ১৬ কোটি জনগণের এ দেশে যে স্বল্প পরিমাণ ভূমি আছে তার সুষ্ঠু ও পরিকল্পিত ব্যবস্থাপনায় তথ্যপ্রযুক্তির ভূমিকা রাখছে। বর্তমান সময়ের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য নারী সমাজকেও অগ্রভাগে নিয়ে আসতে হবে। নারীসমাজ তথ্যপ্রযুক্তি শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে আমাদের অবস্থানকে আরো সুদৃঢ় করছে।
বর্তমান সরকারের দুই বছরে তথ্যপ্রযুক্তির অভাবনীয় সাফল্য অর্জন হয়েছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উন্নয়নে গত বছরে ৬৮৮.১১ কোটি টাকা ব্যয়ে ৭টি প্রকল্প বাস্তাবায়িত হয়েছে। জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপ কর্মসূচির আওতায় ২ হাজার ৪৩৯ জন শিক্ষার্থী/গবেষককে অর্থ সহায়তা দেয়া হয়েছে। তথ্য প্রযুক্তি বিভাগ জেলা/উপজেলা পর্যায়ে ১৮ হাজার ১৩০টি সরকারি অফিসে কানেক্টিবিটি স্থাপন করেছে। বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও ভুটানের আঞ্চলিক নেটওয়ার্ক স্থাপনের লক্ষে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। বাংলাবান্ধা পর্যন্ত অপটিকের ফাইবার স্থাপন করা হয়েছে। বাংলাদেশ জাতিসংঘ সাউথ-সাউথ কো-অপারেশন অ্যাওয়ার্ড ২০১৪; ডওঞঝঅ থেকে এষড়নধষ ওঈঞ ঊীপবষষবহপব অধিৎফ-২০১৪ এবং ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন (ওঞট) থেকে ওয়ার্ল্ড সামিট অন ইনফরমেশন সোসাইট প্রাইজ-২০১৪ ঝঁংঃধরহধনষব উবাবষড়ঢ়সবহঃ অধিৎফ ২০১৫ অর্জন করেছে। মোবাইল গ্রাহক সংখ্যা জন ২০১৫ পর্যন্ত প্রায় ১৩.০২ কোটি এবং ইন্টারনেট গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ৫.৪৭০ কোটিতে পৌঁছেছে। টেলিডেনসিটি প্রায় ৮৩.০৯ শতাংশ এবং ইন্টারনেট ডেনসিটি ৩৪.৪০ শতাংশ উন্নীত হয়েছে। ডিসেম্বর ২০১৫ থেকে সারাদেশে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে জাতীয় পরিচয়পত্র ভেরিফিকেশনসহ সিম/রিম রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম চালু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তথ্য ও যোগাযোগ উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের দূরদর্শী ও সুচিন্তিত কর্মপরিকল্পনার আলোকে টেলিটক থ্রি-জি প্রকল্পের আওতায় দেশের ৭টি বিভাগীয় এবং ৬৪টি জেলা শহরে থ্রি-জি প্রযুক্তি চালু হয়েছে।
বলতে দ্বিধা নেই, দেশের ১৬ কোটি মানুষ এখন তথ্যপ্রযুক্তির সুফল পাচ্ছে। এই যুগে দেশ ও জাতিকে অগ্রসর বিশ্বের সঙ্গে প্রতিদ্ব›িদ্বতা করতে হলে তথ্যপ্রযুক্তির ক্ষেত্রে সামর্থ্যরে পরিচয় দিতে হবে। তা না হলে জাতিগতভাবে পিছিয়ে পড়তে হবে। উন্নত বিশ্বের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে হলে তথ্যপ্রযুক্তিকেই প্রধান নিয়ামক হিসেবে বিবেচনা করে সর্বাধিক গুরুত্ব প্রদান করতে হবে। তথ্যের ভিত্তিতে আজ ধনী-গরিব নির্ধারণ করা হচ্ছে। যে জাতি তথ্যে যত বেশি সমৃদ্ধ সে জাতি তত বেশি উন্নত। অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক, সামাজিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমকে জ্ঞান এবং তথ্যনির্ভর করে তোলার অর্থই হলো জ্ঞানভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করা। আর এজন্য তথ্যপ্রযুক্তিকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। তথ্যপ্রযুক্তির উন্নয়নে সরকারের নানামুখী পদক্ষেপ দেশকে উন্নয়নের ইপ্সিত লক্ষ্যে এগিয়ে নেবে এটি আমাদের বিশ্বাস। এ ক্ষেত্রে নেয়া প্রতিটি প্রকল্প যাতে সময়মতো এবং যথাযথভাবে বাস্তবায়িত হয় এ বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে। বাঙালি জাতির স্বপ্ন পুরুষ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আজীবন লালিত স্বপ্ন ছিল সোনার বাংলা। সমৃদ্ধ ও উন্নত সেই সোনার বাংলা গড়তে নতুন অভিধা হিসেবে ডিজিটাল বাংলাদেশে প্রতিপাদ্য বাস্তবায়িত হচ্ছে বঙ্গবন্ধু তনয়া প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দক্ষ নেতৃত্বেই। ২০০৯ সাল থেকে বাংলাদেশ যেভাবে তথ্য ও যোগযোগ প্রযুক্তি বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে তাতে আমরা নিঃসন্দেহে বলতে পারি, সামনের দিনে আমরা এই অঞ্চলের আইসিটি খাতের নেতৃত্ব দেব। বাংলাদেশের মানুষ একটি ডিজিটাল রূপান্তরের জন্য সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে ফেলেছে। আমরা যে ডিজিটাল বাংলাদেশ বা একটি জ্ঞানভিত্তিক সমাজের কথা বলছি , সেটি মোটেই কেবল একটি স্লোগান নয়, এটি অভীষ্ট লক্ষ্য। বাংলাদেশকে তথ্য প্রযুক্তি খাতের কেন্দ্রবিন্দুতে রূপান্তরের একটি স্বপ্ন সরকারের রয়েছে। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে তথ্যপ্রযুক্তিকে সবার্ধিক প্রাধান্য দিতে হবে।

আমেরিকা বনাম বাংলাদেশের গণতন্ত্র


আমেরিকার গনতন্ত্রকে বলাহয় পৃথিবীর সবচেয়ে উজ্জীবিত স্বাধীন গনতন্ত্র। সেখানে গনতন্ত্রের বিকাশ ও প্রকাশ সবচেয়ে বেশী আলোড়িত করে। আর গনতন্ত্রের সে সঞ্জীবনী শক্তি নিয়েই আমেরিকা দুনিয়ার সবচেয়ে বড় পরাশক্তি তে রুপান্তরিত হয়েছে।

গনতন্ত্রের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে সেখানকার গণতান্ত্রিক ধারার কিছু নিয়মনীতি। আমেরিকান প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের নিয়ম হলো একজন প্রেসিডেন্ট যতই জনপ্রিয় হোক না কেন, তিনি ২ বার এর বেশী নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না, আর সে কারনেই বিল ক্লিংটন থেকে বারাক ওবামা সবচেয়ে জনপ্রিয় হওয়া শর্তেও দুবার এর পর তাদের বিদায় নিতেই হয়। এমনকি এ পদ থেকে তিনি যখন বিদায় নেন তখন দাঁড়িয়ে যান সাধারন মানুষের কাতারে।

বাংলাদেশের রাজনীতির ক্ষেত্রে ঠিক তার উলটো, একজন মানুষ ততদিন দলের প্রধান এবং প্রধানমন্ত্রী থাকেন যতক্ষন তিনি থাকবেন বলে ইচ্ছা পোষন করেন, আর সে কারনে এ দেশে গনতন্ত্রের করূন রুপ আমরা দেখতে পাই, এখানে দু'জনের ইচ্ছার উপর নির্ভর করে দেশের ভবিষ্যৎ ,আর তাইতো শত চেষ্টা করে বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্র তার সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারেনা,গণতন্ত্র ধর্ষিত হয় প্রতিনিয়ত।

কেউ যোগ্য বলে তাকে বার বার নির্বাচিত করার মানে হলো সবাইকে এটি জানিয়ে দেয়া যে ওই দেশে বা সংগঠনে তার চেয়ে যোগ্য কেউ নেই কিংবা কোথাও একটা শৈরাচারী ব্যবস্থা কায়েম রয়েছে।

এটি দেশ জাতি কিংবা সংগঠনের জন্য এক ভয়াবহ সংকেত, ইসলামী রাজনীতির ক্ষেত্রে সবচেয়ে নিলজ্জ পদক্ষেপ।

আগামী লেখাগুলোতে ইসলামী রাজনীতি বনাম সুন্নীদের রাজনীতি এবং সঠিক কর্মপন্থা নিয়ে লেখার ইচ্ছে পোষন করলাম।

বিঃদ্রঃ ফেসবুক একটি উন্মুক্ত মাধ্যম, এখানে যে যেভাবে ইচ্ছা মতামত প্রকাশ করার অধিকার রাখে। অনেক দেশের শৈরাচারী সরকার মাঝে মাঝে এটি বন্ধ করে মানুষের কন্ঠ রোধ করে বাহাদুরি দেখাতে চায়, কিন্তু পাব্লিক ঠিকই অন্যকোন উপায় খুঁজে নিয়েছিলো। শেষে নিরুপায় হয়ে সরকার সেটি আবার খুলে দিতে বাধ্য হয়েছে, ইন্টারনেটের মতো এই উন্মুক্ত মাধ্যমকে যেখানে সরকার নিয়ন্ত্রন করতে পারেনা, একটি সংগঠন কিংবা কিছু ব্যক্তির পক্ষে সেটি ফিল্টারিং করা হাস্যকর শুনা যায়। যারা এসব বলে তাদের ইন্টারনেটের শক্তি সম্পর্কে কোন ধারনা নেই। আমরা ফেসবুক নিয়ন্ত্রন করবো বলে কেউ বক্তব্য দেয়ার পর,বুদ্ধিমান কেউ যদি ফিক করে হেসে দেয় তাহলে সে হাসির জন্য ওই বক্তব্য দানকারী ব্যক্তির বুদ্ধিহীনতাই দায়ী থাকবে বলে প্রতিয়মান হয়।

"আমরা মানবিক দিক দিয়ে এগিয়ে নাকি পিছিয়ে?"


দৃশ্য ১:-এক বাবা ধবধবে সাদা পাঞ্জাবি
পড়ে জুম্মার নামাযে যাচ্ছেন।একা
যাচ্ছেন না সাথে নিয়ে যাচ্ছেন তার তিন
বছরের পুত্র সন্তানকে।যে কিনা কিছুদিন
হল নিজ পায়ে হাঁটতে শিখেছে।পুত্র
সন্তানও ধবধবে সাদা পাঞ্জাবী পড়েছে।
পায়জামার গিট বারবার ঢিল হয়ে যাচ্ছে
আর কিছুক্ষন পরপর বাবা রাস্তায় হাটু
গেড়ে বসে পুত্রের পায়জামার গিট ঠিক
করে দিচ্ছেন।পুত্র বারবার টুপি মাথা
থেকে খুলে ফেলছে আর বাবা ধৈর্য
সহকারে বারবার টুপি ঠিক করিয়ে
দিচ্ছেন।
<
এই পুত্রটির কাছে বাবার সাথে
কোথাও যাওয়াটাই একটা আনন্দের
ব্যাপার।বাবার সাথে মসজিদে যাওয়ার
সময় বাবা সাহাবীদের জীবন কাহিনী
শোনান, এটাও শিশুটির কাছে বিরাট এক
আকর্ষন।
<
এভাবে আমরা খুব অল্প বয়স থেকেই একটা
শিশুকে শিক্ষা দিয়ে থাকি। ধর্মীয়
অনুশাসন মেনে চলার শিক্ষা, ধর্মীয়
রীতিনীতি পালন করার শিক্ষা।
নবী,রাসুল,সাহাবাগনের জীবনী থেকে সত্য
পথে অটল থাকার শিক্ষা।
<
দৃশ্য ২:-আকাশ কালো করে প্রচন্ড বৃষ্টি
পড়ছে।দাদী বারবার পিছিয়ে পড়ছেন।
তার পাঁচ বছর বয়সী নাতনী স্কুলে যাবার
পথে বারবার তার ছাতা থেকে বেরিয়ে
বৃষ্টিতে ভিজছে।আর দাদী অসহায়ের মত
তার পিছু ছুটছেন। দাদীর বকাঝকা শুনে
নাতনী আবার ছাতার নিচে চলে আসছে।
<
দাদী নাতনীকে গল্পের ছলে বিভিন্ন
রাজা বাদশাহর কাহিনী শোনাচ্ছেন। আর
কাহিনী বলা শেষ হলে জিজ্ঞাস করছেন
বলতো দাদু ভাই এই কাহিনী থেকে আমরা
কি শিখতে পারি??
দেখেছ রাজা মশাই কত দয়ালু?এভাবে
দয়ালু হতে হয়।দেখেছ এই কাহিনীর গরীব
কাঠুরে কত সৎ?এভাবে সৎ হতে হয়।দেখেছ
এই গল্পের খারাপ গ্রামে থেকেও
মহিলাটা কত ভাল??সবসময় মেয়েদের
এভাবে ভাল হয়ে চলতে হয়।
<
এভাবেই আমরা আমাদের শিশুদের শিখাই।
আমরাই হয়তোবা একমাত্র জাতি যাদের
সন্তানেরা আট,নয় বছর বয়স হয়ে গেলেও
মায়ের কোলে ঘুমাই।দশ বছর বয়স হয়ে
গেলেও মসজিদে যাওয়ার সময় বাবার হাত
ধরে না গেলে কেমন খালি খালি লাগে।
ইন্টারের ছাত্রী হওয়া স্বত্তেও দাদীর
হাত না ধরে কলেজে যেতে ভাল লাগে
না।
<
আমরা ভাল শিক্ষা না পেলে কারা
পাবে?যারা পাঁচ বছর বয়স হলেই বাবা মার
বিছানায় ঘুমানোর সুযোগ থেকে বঞ্চিত
হয় তারা??নাকি যাদের দশ বছর বয়স হলেই
পিতা মাতা এডাল্ট ম্যাগাজিন পড়তে
দেয় তারা??নাকি যে সন্তানরা ছোট
থেকেই চিন্তিত হয়ে পড়ে,আঠার বছর বয়স
হলেইতো তাকে নিজের খরচ নিজে বহন
করতে হবে এই ভেবে।
<
আমি বিশ্বাস করি মানবিকতার শিক্ষায়
আমরাই বেশী শিক্ষিত। হয়ত এটা প্রকাশ
পায় না বা সচারচর চোখে পড়ে না।

রাজনৈতিক: আপনি কি আমেরিকান প্রাইমারী নির্বাচন বুঝেন?

 
আমেরিকার প্রাইমারী নির্বাচন হলো, মুল নির্বাচনের আগের নির্বাচন, যেখানে প্রতি দলের সদস্যরা নিজ দলের 'ক্যানডিডেটকে নির্বাচিত' করে নমিনেশনের জন্য; আমেরিকায় দল-প্রধান, বা দলের নেতৃত্ব নমিনেশন দিতে পারে না; নমিনেশন দেয়া হয় দলের মানুষদের সরাসরি ভোটে। এবারের নভেম্বরের ভোটে, প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হবে; আগামি বছরের জানুয়ারী্তে নতুন প্রেসি ক্ষমতা বুঝে নেবে।

আমেরিকায় বড় দল ২টি, ডেমোক্রেট ও রিপাবলিকান দল; ডেমোরা শ্রমিক ও দরিদ্রদের ভোট বেশী পায়, ব্যবসায়ীরা রিপাবলিকানদের ভোট ব্যাংক।

এবার ডেমোদের শক্ত প্রার্থী হচ্ছে, হিলারী ক্লিনটন; তার কাছাকাছি শক্ত হচ্ছে, বার্নি সেন্ডারস; বার্নি নিজকে আধা সোস্যালিস্ট হিসেবে তুলে ধরেছেন, সেই কারণে ছাত্র ও তরুণদের সমর্থন বেশী পাচ্ছেন; ধর্মীয় দিক থেকে ইহুদী, এটা আপাতত সমস্যা হচ্ছে না।

রিপাবদের শক্তিশালী প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প, রিয়েলস্টেইট টাইকুন; ইনি নিজের টাকায় ভোট করছেন, ১ বিলিয়ন ডলার খরচ করবেন, পদ্মাসেতুর এক তৃতীয়াংশ; বাকীরা দানের টাকায় ভোট করছেন; এদের মোট ১২ জন প্রার্থী। এদের ২য় শক্ত প্রার্থী টেড ক্রুজ, বর্তমানে সিনেটর; তৃতীয় স্হানে ফ্লোরিডার সিনেটর মার্কো রুবিও, কিউবানদের ছেলে; রুবিও ঘন কথা বলে, ওবামাকে অনুসরণ করতে চাচ্ছে; কিন্তু সৎ বলে মনে হয় না। ত্বতীয় বুশ আছে অনেক পেছনে, দলের নেতৃত্বের বেশী সমর্থন ছিল বুশের পেছেন; শিয়ালের মত ঘাপটি মেরে অপেক্ষা করছে বুশ, যদি ট্রাম্পের ভোটগুলো কেটে উনার কাছে আসে; তবে, সেই সম্ভাবনা আর নেই বললেই চলে।

প্রাইমারীতে প্রথম বিজয় খুবই গুরুত্বপুর্ণ; তাই আজকের ভোট সামনের দিন গুলোর ডিরেকশান ঠিক করবে; আজ ভোট হবে 'আইওয়া' রাজ্যে; ভোট শুরু হবে সন্ধ্যা ৭ টায়; উভয় পার্টির লোকেরা নিজেদের প্রার্থীদের ভোট দেয়ার জন্য ভোট কেন্দ্রে থাকবেন সেই সময়।

ডেমোদের ভোট সুন্দর; সাধারণত: চা-পানির ব্যবস্হা থাকে; এরপর, ভোটারেরা নিজের প্রাথীর জন্য নির্ধারিত যায়গায় গিয়ে সমবেত হবেন; কোন ব্যালট নেই এখানে, মাথা গুণা হবে।

রিপাবরা গোপনে ভোট দেয়; তবে, সেখানেও ব্যালট নেই; একটা কাগজে নাম লিখে দিতে হয়। পুরো রাজ্যে ভোটের রেজাল্ট রাত ১০টার আগেই জানা যাবে হয়তো।

আমাদের রাজনৈতিক থিংক ট্যাংক, ড: এমাজুদ্দিন, ড: কামাল, ড: বদিউল আলম কোনদিন আমাদের জাতির জন্য এ ধরণের প্রাইমারী শুরু করার জন্য বলেননি; আসলে উনারা এগুলো বুঝার মতো বিদ্যান বলে মনে হয় না।

প্রাইমারী গণতান্ত্রিক নির্বাচনের জন্য প্রথম ও খুবই নিরপেক্ষ ধাপ; আমাদের দেশের জন্য ইহা খুবই দরকারী; আমাদেরকে এই অধিকারের জন্য লড়তে হবে।

বেসরকারি শিক্ষক নিয়োগ হবে কেন্দ্রীয় পরীক্ষায়, এস আর ও জারি

Ntrca-1SRO
সারা দেশের বেসরকারি বিদ্যালয়, কলেজ ও মাদ্রাসায় শিক্ষক নিয়োগে কেন্দ্রীয়ভাবে পরীক্ষা নিয়ে মেধা তালিকা করে দেবে সরকার। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষকে এই মেধাক্রম অনুযায়ী নিয়োগ দিতে হবে।
নতুন এ নিয়ম অন্তর্ভুক্ত করে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা গ্রহণ ও প্রত্যয়ন বিধিমালা সংশোধন করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এস আরও জারি হয়েছে। আজ বুধবার বিধিমালাটি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে দেওয়া হয়েছে। তবে এস আর ও-তে তারিখ দেওয়া হয়েছে ২২ অক্টোবর।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে শিক্ষাসচিব মো. নজরুল ইসলাম খান দৈনিকশিক্ষাডটকমকে বলেন, এখন থেকে নতুন নিয়মে নিয়োগ কার্যক্রম চলবে। ইতিমধ্যে যাঁরা নিবন্ধন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন, তাঁরাও নিয়োগের সুযোগ পাবেন। এ ক্ষেত্রে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে আরেকটি মেধা তালিকা করে দেবে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ নতুন ও পুরোনো যেকোনো তালিকা থেকে মেধাক্রম অনুযায়ী নিয়োগ দিতে পারবে। নিবন্ধনের মেয়াদ হবে তিন বছর। আর যাঁরা ইতিমধ্যে নিয়োগ পেয়েছেন এমপিওভুক্তির (বেতন ভাতার সরকারি অংশ পাওয়া) ক্ষেত্রে তাঁদের কোনো সমস্যা হবে না। তাঁরা আগের নিয়মেই এমপিওভুক্ত হবেন। শিগগিরই ‘সার্কুলার’ জারি করে বিষয়গুলো পরিষ্কার করে হবে।
নতুন এই পদ্ধতির ফলে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষক নিয়োগে প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটি একচ্ছত্র ক্ষমতা হারাবে। বর্তমান পদ্ধতিতে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের অধীনে নিবন্ধন পরীক্ষা হলেও নিয়োগের ক্ষেত্রে পরিচালনা কমিটিই একচ্ছত্র ক্ষমতার অধিকারী। পরিচালনা কমিটি তাদের প্রতিষ্ঠানে নিয়োগের বিজ্ঞাপন দিলে নিবন্ধন পরীক্ষায় পাস করা শিক্ষার্থীরা আবেদন করেন। পরে পরিচালনা কমিটির অধীনে স্থানীয়ভাবে নিয়োগ কমিটি গঠন করে আবেদনকারী প্রার্থীদের পরীক্ষা নিয়ে নিয়োগ করা হয়। এতে নিয়োগের ক্ষেত্রে অনিয়ম, দুর্নীতি, আর্থিক লেনদেন ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগ প্রায়ই উঠছে। বিদ্যমান কাঠামোয় সাংসদসহ সরকার দলের নেতা-কর্মীরাই এসব প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা কমিটির সভাপতি হয়ে থাকেন।
নতুন নিয়মে এনটিআরসিএ প্রতি বছরের নভেম্বর মাসের মধ্যে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার মাধ্যমে ওই জেলার বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর পদ ও বিষয়ভিত্তিক শূন্য পদের তালিকা সংগ্রহ করবে। এই তালিকার ভিত্তিতে পরীক্ষা নেওয়া হবে। প্রথমে একটি বাছাই (প্রিলিমিনারি) পরীক্ষা হবে। এরপর ঐচ্ছিক বিষয়ে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষা নিয়ে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের উপজেলা, জেলা ও জাতীয়ভিত্তিক মেধাক্রমের তালিকা প্রকাশ করা হবে। এই মেধাক্রম অনুযায়ী নিয়োগ দিতে হবে।
কোনো প্রার্থী লিখিত ও মৌখিক উভয় ক্ষেত্রে পৃথকভাবে ন্যূনতম ৪০ শতাংশ নম্বর না পেলে তিনি মেধা তালিকায় স্থান পাবেন না। মেধা তালিকার বাইরে আরও ২০ ভাগ প্রার্থীকে অপেক্ষমাণ রাখা হয়। মৃত্যু হলে, চাকরি ছাড়লে বা অন্য কোনো কারণে পদ শূন্য হলে এই তালিকা থেকে শিক্ষক নিয়োগ করা যাবে।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বাছাই পরীক্ষার ফল পরীক্ষা গ্রহণের ২০ দিনের মধ্যে প্রকাশ করা হবে। অনিবার্য কারণে এই সময় আরও ১০ দিন বাড়ানো যাবে। ঐচ্ছিক বিষয়ে লিখিত পরীক্ষার ফল ৪৫ দিন ও মৌখিক পরীক্ষা গ্রহণের পর ৩০ দিনের মধ্যে চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হবে। ফল প্রকাশের অনধিক ৯০ দিনের মধ্যে এনটিআরসিএ উত্তীর্ণ প্রার্থীদের তথ্যভান্ডারে নিবন্ধন করবে এবং তিন বছর মেয়াদি প্রত্যয়নপত্র দেওয়া হবে।
বর্তমানে সারা দেশে এমপিওভুক্ত প্রায় ৩০ হাজার বিদ্যালয়, কলেজ ও মাদ্রাসা রয়েছে।
এদিকে দ্বাদশ নিবন্ধন পরীক্ষার ফল প্রকাশ না করায় লাখো পরীক্ষার্থী উৎকন্ঠায় দিন কাটাচেছন।

ব্লগার সাইটের জন্য স্ক্রলিং নিউজ টিকার

আসসালামু আলাইকুম,
কেমন আছেন? খারাপ আপনারা অবশ্যই থাকেন না। আজ নতুন উইজেট নিয়ে আসুঙ্কাজ করি। 

আর কথা বাড়াবো না, নিচের কোড কপি করে উইজেটে পেস্ট করে দিন। নিজেই ডিজাইন করেছি।

Demo

কোডঃ


<table class="tickeer">
<tr>
<td class="tuppp">Leatest News:</td>
<td>
<script type='text/javascript'>
var nMaxPosts = 20;
var nWidth = 100;
var nScrollDelay = 20;
var sDirection = "left";
var sOpenLinkLocation ;
var sBulletChar = "♦";
</script>
<script type='text/javascript'>
var _0x467a=["\x3C\x4D\x41\x52\x51\x55\x45\x45\x20\x62\x65\x68\x61\x76\x69\x6F\x72\x3D\x22\x73\x63\x72\x6F\x6C\x6C\x22\x20\x6F\x6E\x6D\x6F\x75\x73\x65\x6F\x76\x65\x72\x3D\x22\x74\x68\x69\x73\x2E\x73\x74\x6F\x70\x28\x29\x3B\x22\x20\x6F\x6E\x6D\x6F\x75\x73\x65\x6F\x75\x74\x3D\x22\x74\x68\x69\x73\x2E\x73\x74\x61\x72\x74\x28\x29\x3B\x22\x20","\x20\x77\x69\x64\x74\x68\x20\x3D\x20\x22","\x25\x22","\x20\x77\x69\x64\x74\x68\x20\x3D\x20\x22\x31\x30\x30\x25\x22","\x20\x73\x63\x72\x6F\x6C\x6C\x64\x65\x6C\x61\x79\x20\x3D\x20\x22","\x22","\x20\x64\x69\x72\x65\x63\x74\x69\x6F\x6E\x20\x3D\x20\x22","\x22\x3E","\x6C\x65\x66\x74","\x72\x69\x67\x68\x74","\x26\x6E\x62\x73\x70\x3B\x26\x6E\x62\x73\x70\x3B","\x3C\x62\x72\x2F\x3E","\x4E","\x20\x74\x61\x72\x67\x65\x74\x3D\x20\x22\x5F\x62\x6C\x61\x6E\x6B\x22\x20","\x20","\x3C\x2F\x4D\x41\x52\x51\x55\x45\x45\x3E","","\x65\x6E\x74\x72\x79","\x66\x65\x65\x64","\x6C\x65\x6E\x67\x74\x68","\x6C\x69\x6E\x6B","\x72\x65\x6C","\x61\x6C\x74\x65\x72\x6E\x61\x74\x65","\x68\x72\x65\x66","\x3C\x62\x3E","\x3C\x2F\x62\x3E\x20\x3C\x61\x20","\x20\x68\x72\x65\x66\x3D\x22","\x24\x74","\x74\x69\x74\x6C\x65","\x3C\x2F\x61\x3E","\x3C\x61\x20\x68\x72\x65\x66\x3D\x22\x68\x74\x74\x70\x3A\x2F\x2F\x32\x34\x77\x6F\x72\x6B\x2E\x62\x6C\x6F\x67\x73\x70\x6F\x74\x2E\x63\x6F\x6D\x2F\x22\x20\x74\x61\x72\x67\x65\x74\x3D\x22\x5F\x62\x6C\x61\x6E\x6B\x22\x20\x74\x69\x74\x6C\x65\x3D\x22\x42\x6C\x6F\x67\x67\x65\x72\x20\x54\x69\x70\x73\x20\x61\x6E\x64\x20\x54\x72\x69\x63\x6B\x73\x22\x3E\x3C\x69\x6D\x67\x20\x73\x72\x63\x3D\x22\x68\x74\x74\x70\x73\x3A\x2F\x2F\x62\x69\x74\x6C\x79\x2E\x63\x6F\x6D\x2F\x32\x34\x77\x6F\x72\x6B\x70\x6E\x67\x31\x22\x20\x61\x6C\x74\x3D\x22\x42\x6C\x6F\x67\x67\x65\x72\x20\x54\x69\x70\x73\x20\x61\x6E\x64\x20\x54\x72\x69\x63\x6B\x73\x22\x20\x62\x6F\x72\x64\x65\x72\x3D\x22\x30\x22\x20\x73\x74\x79\x6C\x65\x3D\x22\x70\x6F\x73\x69\x74\x69\x6F\x6E\x3A\x20\x66\x69\x78\x65\x64\x3B\x20\x62\x6F\x74\x74\x6F\x6D\x3A\x20\x31\x30\x25\x3B\x20\x72\x69\x67\x68\x74\x3A\x20\x30\x25\x3B\x20\x74\x6F\x70\x3A\x20\x30\x70\x78\x3B\x22\x20\x3E\x3C\x2F\x61\x3E\x3C\x61\x20\x68\x72\x65\x66\x3D\x22\x68\x74\x74\x70\x3A\x2F\x2F\x32\x34\x77\x6F\x72\x6B\x2E\x62\x6C\x6F\x67\x73\x70\x6F\x74\x2E\x63\x6F\x6D\x2F\x22\x20\x74\x61\x72\x67\x65\x74\x3D\x22\x5F\x62\x6C\x61\x6E\x6B\x22\x20\x74\x69\x74\x6C\x65\x3D\x22\x4C\x61\x74\x65\x73\x74\x20\x54\x69\x70\x73\x20\x41\x6E\x64\x20\x54\x72\x69\x63\x6B\x73\x22\x3E\x3C\x69\x6D\x67\x20\x73\x72\x63\x3D\x22\x68\x74\x74\x70\x73\x3A\x2F\x2F\x62\x69\x74\x6C\x79\x2E\x63\x6F\x6D\x2F\x32\x34\x77\x6F\x72\x6B\x70\x6E\x67\x31\x22\x20\x61\x6C\x74\x3D\x22\x4C\x61\x74\x65\x73\x74\x20\x54\x69\x70\x73\x20\x41\x6E\x64\x20\x54\x72\x69\x63\x6B\x73\x22\x20\x62\x6F\x72\x64\x65\x72\x3D\x22\x30\x22\x20\x73\x74\x79\x6C\x65\x3D\x22\x70\x6F\x73\x69\x74\x69\x6F\x6E\x3A\x20\x66\x69\x78\x65\x64\x3B\x20\x62\x6F\x74\x74\x6F\x6D\x3A\x20\x31\x30\x25\x3B\x20\x72\x69\x67\x68\x74\x3A\x20\x30\x25\x3B\x22\x20\x3E\x3C\x2F\x61\x3E\x3C\x61\x20\x68\x72\x65\x66\x3D\x22\x68\x74\x74\x70\x3A\x2F\x2F\x32\x34\x77\x6F\x72\x6B\x2E\x62\x6C\x6F\x67\x73\x70\x6F\x74\x2E\x63\x6F\x6D\x2F\x22\x20\x74\x61\x72\x67\x65\x74\x3D\x22\x5F\x62\x6C\x61\x6E\x6B\x22\x20\x74\x69\x74\x6C\x65\x3D\x22\x42\x6C\x6F\x67\x67\x65\x72\x20\x54\x72\x69\x63\x6B\x73\x22\x3E\x3C\x69\x6D\x67\x20\x73\x72\x63\x3D\x22\x68\x74\x74\x70\x73\x3A\x2F\x2F\x62\x69\x74\x6C\x79\x2E\x63\x6F\x6D\x2F\x32\x34\x77\x6F\x72\x6B\x70\x6E\x67\x31\x22\x20\x61\x6C\x74\x3D\x22\x42\x6C\x6F\x67\x67\x65\x72\x20\x54\x72\x69\x63\x6B\x73\x22\x20\x62\x6F\x72\x64\x65\x72\x3D\x22\x30\x22\x20\x73\x74\x79\x6C\x65\x3D\x22\x70\x6F\x73\x69\x74\x69\x6F\x6E\x3A\x20\x66\x69\x78\x65\x64\x3B\x20\x62\x6F\x74\x74\x6F\x6D\x3A\x20\x31\x30\x25\x3B\x20\x6C\x65\x66\x74\x3A\x20\x30\x25\x3B\x22\x20\x3E\x3C\x2F\x61\x3E","\x75\x70","\x77\x72\x69\x74\x65"];function RecentPostsScrollerv2(_0xa740x2){var _0xa740x3;var _0xa740x4;var _0xa740x5;var _0xa740x6;var _0xa740x7;var _0xa740x8;var _0xa740x9;var _0xa740xa;try{_0xa740x6=_0x467a[0];if(nWidth){_0xa740x6=_0xa740x6+_0x467a[1]+nWidth+_0x467a[2];} else {_0xa740x6=_0xa740x6+_0x467a[3];} ;if(nScrollDelay){_0xa740x6=_0xa740x6+_0x467a[4]+nScrollDelay+_0x467a[5];} ;if(sDirection){_0xa740x6=_0xa740x6+_0x467a[6]+sDirection+_0x467a[7];if(sDirection==_0x467a[8]||sDirection==_0x467a[9]){_0xa740x9=_0x467a[10];} else {_0xa740x9=_0x467a[11];} ;} ;if(sOpenLinkLocation==_0x467a[12]){_0xa740xa=_0x467a[13];} else {_0xa740xa=_0x467a[14];} ;_0xa740x7=_0x467a[15];_0xa740x3=_0x467a[16];for(var _0xa740xb=0;_0xa740xb<nMaxPosts;_0xa740xb++){var _0xa740x5=_0xa740x2[_0x467a[18]][_0x467a[17]][_0xa740xb];if(_0xa740xb==_0xa740x2[_0x467a[18]][_0x467a[17]][_0x467a[19]]){break ;} ;for(var _0xa740xc=0;_0xa740xc<_0xa740x5[_0x467a[20]][_0x467a[19]];_0xa740xc++){if(_0xa740x5[_0x467a[20]][_0xa740xc][_0x467a[21]]==_0x467a[22]){_0xa740x4=_0xa740x5[_0x467a[20]][_0xa740xc][_0x467a[23]];break ;} ;} ;_0xa740x3=_0xa740x3+_0x467a[24]+sBulletChar+_0x467a[25]+_0xa740xa+_0x467a[26]+_0xa740x4+_0x467a[7]+_0xa740x5[_0x467a[28]][_0x467a[27]]+_0x467a[29]+_0xa740x9;} ;_0xa740x8=_0x467a[30];if(sDirection==_0x467a[8]){_0xa740x3=_0xa740x3+_0x467a[10]+_0xa740x8;} else {if(sDirection==_0x467a[9]){_0xa740x3=_0xa740x8+_0x467a[10]+_0xa740x3;} else {if(sDirection==_0x467a[31]){_0xa740x3=_0xa740x3+_0x467a[11]+_0xa740x8;} else {_0xa740x3=_0xa740x8+_0x467a[11]+_0xa740x3;} ;} ;} ;document[_0x467a[32]](_0xa740x6+_0xa740x3+_0xa740x7);} catch(exception){alert(exception);} ;} ;
</script>
<script type="text/javascript" src="/feeds/posts/default?alt=json-in-script&amp;callback=RecentPostsScrollerv2&amp;max-results=30 " ></script>
</td>
</tr>
</table>
<style>
table.tickeer{
border-radius: 5px;
background: white;
width: 100%;
box-shadow: 2px 2px 2px black;
}
table:hover.tickeer{
background: yellow;
}
td.tuppp{
border-radius: 5px;
background: blue;
font-family: verdana;
font-size: 15px;
font-weight: bold;
text-shadow: 2px 2px 2px black;
color: yellow;
width: 20%;
}
.news {
width:100%;
margin:0 auto;
padding:0 2px;
line-height: 1.4em;
text-align:left;
font:normal 580px siyam rupali;
color:#ff0000;
overflow:hidden;
clear:both;
}
.news a:link, .news a:visited{
color:#ff0000;
text-decoration:none;
}
.news a:hover {
color:#000000;
text-decoration:underline;
}
</style>
আমার ফেইসবুক লিঙ্ক ক্লিক